বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ইতিহাস

ইতিহাস

ভারতের কোয়েম্বাটরে ১৯১২ সালে ‘ইক্ষু প্রজনন কেন্দ্র’ স্থাপনের মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল এ উপমহাদেশে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কার্যক্রম আর বাংলাদেশে তা শুরু হয়েছিল ১৯৩৩ সালে। বিএসআরআই এর সেই ক্রম-বিবর্তনের ইতিহাস এখানে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলঃ

ইক্ষুচারা পরীক্ষাগার (১৯৩৩-১৯৪৭):

কোয়েম্বাটর এর ইক্ষু প্রজনন কেন্দ্র থেকে ইক্ষুর প্রকৃত বীজ (fuzz) সংগ্রহ করে এ এলাকার উপযোগী উন্নত জাত বাছাই করার জন্য ১৯৩৩ সালে ঢাকার মনিপুরী ফার্মে Seedling Testing Laboratory বা ইক্ষুচারা পরীক্ষাগার স্থাপিত হয়।   তদানীন্তন বৃটিশ সরকারের Royal Imperial Council of Agriculture এর অর্থানুকূল্যে এ পরীক্ষারগারটি পরিচালিত হতো এবং ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তা কার্যকর ছিল। এ পরীক্ষাগার থেকে বাছাইকৃত কিছু কিছু ইক্ষুজাত যেমন Co ৪১৯, Co ৫২৭ প্রভৃতি আজও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় চাষাবাদ হচ্ছে।

ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (১৯৫১-১৯৭১):

১৯৫১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে মাত্র ১৭ জন জনবল নিয়ে ‘ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র’ স্থাপন করেন। তখন কেন্দ্রটির কার্যক্রম শুধুমাত্র ইক্ষু প্রজনন এবং জাত বাছাই এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এ কেন্দ্র থেকে নয়টি ইক্ষুজাত উদ্ভাবন করা হয়, যার মধ্যে ঈশ্বরদী ১/৫৩ এবং ঈশ্বরদী ২/৫৪ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনও চাষাবাদ হচ্ছে। ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের অধিকতর উন্নয়নকল্পে  তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের ‘খাদ্য ও কৃষি কাউন্সিল’ কেন্দ্রটিকে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে ন্যস্ত করে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোন উন্নতি ছাড়াই ১৯৬৫ সালে কেন্দ্রটিকে পুণরায় প্রাদেশিক সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ে ফেরৎ দেয়। ফলে জনবল ও গবেষণার সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে এ কেন্দ্রটি প্রায় ধ্বংসই হয়ে যায়।

 ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (১৯৭১-১৯৭